শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

সময়ের প্রয়োজন

কিছুটা এলোমেলো
কিছুটা আবোল তাবোল
কিছুটা ভয়
যেন মিথ্যে হয়.
দরকার কিছু সময়
যখন স্তব্ধ হয়ে পৃথিবী ঘুমোয়।

সময়ের প্রয়োজন

কিছুটা এলোমেলো
কিছুটা আবোল তাবোল
কিছুটা ভয়
যেন মিথ্যে হয়.
দরকার কিছু সময়
যখন স্তব্ধ হয়ে পৃথিবী ঘুমোয়।

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মন আর বিবেকের সাথে যুদ্ধ চলছে প্রতি নিয়ত...........
মনের কথা শুনব না বিবেকের কথা শুনব তাই নিয়ে প্রতিদিন দন্দ লেগেই রয়েছে।
মন বলছে তোর জীবন থেকে সব হারিয়ে গিয়েছে, হয়ে গেছিস নিরানন্দ, তুই তো নি:স্য। তোর বেচে থেকে কি লাভ, তুই মরে যা, তুই চলে যা,এই পৃথিবীতে তোকে আর দরকার নেই।

বিবেক বলছে, যখন তুই হাটতে পারতি না, বলতে পারতি না, তুই যখন অসহায় ছিলি তোর বাবা মা তোকে শিখিয়েছে,নিজে কষ্ট করে তোকে খাইয়েছে, আজ তাদের ছেড়ে, তাদের সেবা না করেই চলে যাবি? তুই বড় সার্থপর। যখন তাদের দরকার, সেই সময় তুই তাদের ছুড়ে ফেলে চলে যাবি?

আজ পর্যন্ত বিবেকের কথাই শুনে আসছি বলেই বেচে আছি।
বিবেকের পথেই চলব।
শুধু শুধু জীবনের কাছে আমি হারতে চাই না কাপুরুষ এর মত।

মানুষের জীবনের সবথেকে বড় কষ্ট, পিতা মাতার চোখের সামনে সন্তানের লাশ।
আমি হয়তো অসীম সুখ তাদের দিতে পারব না, কিন্তু এত বড় দু:খ দেয়ার অধিকার আমার নেই।
যে বা যাহারা আমার মৃত্যু তে খুশি হত আমি তাদের খুশি করতে পারলাম না।
কারন আমি হেরে যাইনি বরং আমিই জিতেছি।

সবশেষে
বাবা, মা তোমরা ভেব না, আমি আছি, আমি থাকব।
তোমাদের রক্ত আমায় কাপুরুষ হতে শেখায়নি।

-----------------------------Samir

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫

নির্বাক পৃত্রিস্নেহ

শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, পুরুষ শাষিত সমাজ বলে পুরুষদের উপরে রাখছি তা নয়।অথবা আধুনিক যুগের নারীদের মনোভাব কে নিচু করছি না।
লেখাটি সম্পুর্ন কাল্পনিক।এমন কি আমি নারী পুরুষ কারো সম্পর্কে না বোধক মনোভাব ব্যাক্ত করছি না।

লেখাটি একজন বাবা আর একটি ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে। মেয়েটির বয়স যখন ১.৫, তখন তার মা তাকে বাবার কাছে ফেলে চলে যায়।
মেয়েটির বয়স এখন ৫।
আত্মিয় সজন ও বন্ধুবান্ধব কে স্ত্রী চলে যাওয়ার কারন বলতে পারবে না বলে মেয়েকে নিয়ে বাবাটি আজ অনেক দুরে।
যেখানে তাদের কেউ চেনে না।

ঘরের কাছে অফিস বলে মেয়ের খাওয়া দাওয়া সব বাবা ই করাতে পারে,
হটাৎ একদিন মেয়ে ল্যাপটপে ছবি দেখতে দেখতে..

মেয়ে: পাপা পাপা, সব ছবিতে আমার মত একটা নয় দুইটা বাবু,  তোমার মত একটা পাপা,আর একটি বড় মেয়ে থাকে, কিন্তু আমাদের ছবিতে বড় মেয়ে নেই কেন?

বিদ্যুৎ স্পর্শের মত ঝাটকা লাগল শুভ্রর।
হুম বাবাটির নাম শুভ্র। এ প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হবে জানতো কিন্তু এত তারাতারি?
ভাবতে ভাবতে চোখ ছল ছল করে ওঠে।

অনেক কষ্টে নিজেকে মানিয়ে মেয়েকে বোঝায়,  বড় মেয়েটা যদি থাকতো তাহলে আমার এই ছোট্ট নিশি মনি কে এত আদর করতে দিত না। 

বড় শখ করে মেয়েটির নাম রেখে ছিল নিশি।

নিশি: ও তাহলে ভালই হয়েছে। লাগবে না কোন বড় মেয়ে।
শুভ্র সস্তির নি:শাস ফেল্লেও, রাত ভর ঘুমাতে পারে না।

কয়েকদিন বাদে, নিশি বাবাকে জিজ্ঞেস করে বসে,  পাপা পাপা মা কোনটা, আমার মা কোথায়?
চুপ হয়ে যায় শুভ্র, মেয়েকে স্কুলে দিয়ে ভুল ই করল কিনা, নাহ আর কত দিন।.....
এ ভাবতেই শুভ্রর চোখ দিয়ে আবার জল আসতে শুরু করে,চাপা কষ্ট আর সজন থেকে দুরে থেকে আজ সে ক্লান্ত।

নিশি কিভাবে যেন বুঝতে পারে,বাবা কষ্ট পেয়েছে,
নিশি: পাপা, সরি আমি আর বলব না মা কোথায়।
বলে জড়িয়ে ধরে বাবাকে।

শুভ্র ভাবতে থাকে এটুকু মেয়ে কষ্টের কি বা বোঝে? যাই হোক পার হয়ে যায় অইদিন।

শুভ্র ভাবে তার মেয়ে অসম্ভব ভাল আর বাবাকে বোঝে বলেই আর হয়তো বলে নি। কিন্তু মেয়ে তো বড় হচ্ছে, এক না এক সময় প্রশ্ন আসবেই,  এর মা কোথায়?
কি বলবে শুভ্র?
মরে গেছে না
চলে গেছে?

চলে গেলে, কেন গেলো?

এ প্রশ্ন থেকে কতদিন পালাবে শুভ্র?

কিছু মন্তব্য: এখানে বাবা না হয়ে মা হলেও পারত।
বাবা পারত মেয়েটাকে কোথাও দিয়ে জীবন শুরু করতে কিন্তু তা করেনি।

সত্যি কথা হল, বাবা মা চাইলেই হওয়া যায় কিন্তু আদর্শ বাবা মা কয়জন হতে পারে?
আর একজন বাবা, মা কিভাবে তাদের সন্তান ফেলে চলে যেতে পারে?

বিয়ে শুধু কাবিন নামের সাদা কাগজে সাক্ষর করা নয়, সারা জীবন একসাথে থাকার মনের অংিকার ও বটে।
ভাবে নেয়া উচিত যে কোন সন্তান যেন নিশির মত প্রশ্ন করতে না পারে,আর কোন বাবা অথবা মা কে যেন শুভ্রর মত সবার কাছ থেকে লুকিয়ে চোখের জল ফেলতে হয়। লুকিয়ে বাচতে হয়।







বি: দ্র: লেখাটি সম্পুর্ন নিজের কাল্পনিক, দয়া করে কপি করবেন না।

----------------------------Samir

আমি তৃষ্ণার্ত নই,
এটা আমার বেচে থাকার চাহিদামাত্র
আমি ক্ষুদার্থ  নই,
এটা আমার শরীর কে চালিয়ে নেবার উপকরন মাত্র।
এই যে জল,
এটা চোখের সত্যিকার জল নয়,
এটা কষ্টের অভিনয় মাত্র।

- Samir

সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৫

আনটাইটেল্ড

অশ্রুশিক্ত চোখ
বিষাদ ভরা মুখ
প্রান ভরে দেখে নাও,
পাবে অনেক সুখ।

সেদিন বেশী দুরে নয়
হয়তো একটি যুগ,
খুজে বেড়াবে সপ্ন গুলো
কেদে ভাসাবে বুক।

(All Right Reserved By Samir)

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৫

প্রতিদিন ভাবতাম তোমাকে নতুন করে ভালবাসবো, নতুন করে প্রেমে পরব,

সেখানে আজ ভালবাসার ভয়।
ভাবতাম প্রতিদিন তোমাকে যতই দেখি নতুন করে ভাল লাগে।

এখন বছর পার হয়ে যায় তোমার দেখা মেলে না।

ভাবতাম প্রতিদিন অনেক বার তোমার হাতটা ধরে বলব, তোমায় অনেক অনেক ভালবাসি,নিজের থেকেও বেশি।

আজ বছর পার হয়ে গেল,একটা বার বলা হল না।

ভাবতাম এই পবিত্র ভালবাসা একদিন আমাদের লক্ষ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।

আজ আশা করাও সাজে না।

কি অদ্ভুত ভালবাসা......
জীবনের এ চিত্র না দেখলেই বা কি হত?
আমি তো দেখতে চাই নি।

ঘুনে ধরা নিষ্পাপ ভালবাসা
পুরিয়ে দিয়েছে শত আশা।