শনিবার, ৩০ জুন, ২০১২

এই অদ্ভূত চিন্তাটা কোথা থেকে কথাটা মাথায় ঢুকেছিলো জানিনা; জীবনের আইডিয়া ছিলো নাকি সেটা? শীর্ষেন্দুর পার্থিবে ছিলো কি? হতে পারে, আবার নাও পারে হবে হয়তো কোথাও পড়েছিলাম বা শুনেছিলাম তবে মনে আছে, জীবনটাকে কে যেন বৃক্ষের মতন করে অনুভব করেছিলেন
 আজ আমার মাথায় ভর করেছে সেই চিন্তা!
শেকড় গজিয়ে যাওয়া, ডালপালা ছড়িয়ে যায়কখনো দুলতে থাকে বসন্তের হাওয়ায়। স্পন্দন ছড়িয়ে যায় পুলকের কখনো কখনো, আবার ভিজে যায় বর্ষায়কান্না হয়ে ঝরে যায় কষ্টগুলো। অনুভূতিরা কি পাতার মতন? নতুন পাতা জন্মে গাছে নতুন ঋতুতে। সবুজ প্রাণের দ্যোতনা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। সেই পাতার সাথে বন্ধুত্ব হয়, সেই পাতার ক্লোরোফিল বাঁচিয়ে রাখে সবুজতাকে, আর সেই সবুজতাই সৃষ্টিচরাচরের অক্সিজেন সরবরাহ করে যায়পাতার সাথে আমিও দুলে যাই।
বসন্তের হাওয়া আসে, উদ্দাম আনন্দের শিহরণে শিউরে উঠি। স্নিগ্ধতা স্বপ্ন জাগায় এক অন্যরকম পৃথিবী, এক অন্যরকম স্বপ্নময়তাস্বপ্নেরা দুলতে থাকে একটানা, ধীর লয়ে, রুদ্ধশ্বাসে। আচ্ছা, স্বপ্নের দোলা কেউ দেখেছে কখনো? আমি দেখেছি। স্বপ্নেরাও উদ্বেল হয়, বাস্তবতাকে ছাড়িয়ে এক কাল্পনিক জগতের বাস্তব হবার উত্তেজনায় এই স্বপ্নেরাও উদ্বেল হয়।
সহসাই কেমন সব বদলে যায়। প্রকৃতির এক অকৃত্রিম অংশ বলেই কি অমন করে মিলিয়ে যায় সবকিছু? আমি আবার শীতের শুষ্কতা টের পাই, আমি টের পাই রুক্ষতা। সময় বদলে যায়, বদলে যায় চারপাশ। প্রাণের স্পন্দন আর পাইনা সবুজতায়। সেই পাতার কোমলতা হারিয়ে ধূসর হতে থাকে। স্বপ্নেরাও বদলে যেতে থাকে ক্রমশ………………..