এই নুসরাত এদিকে আয়,
কি হয়েছে বল?
আরে দেখে যা তোর আসাইনমেন্ট এর ওপরে পানি পরেছে।
কিইইইইইইইইইইইইইইইইইইই
আমি কাল সারারাত ধরে এতা করেছি,এখন কি করব?
তুই এটা করতে পারলি অঞ্জন !
আরে আমি কি করলাম ,আমি ফেলেছি নাকি?
তুই করেছিশ।
আমার সব নাম্বার গেল!
আচ্ছা তুই আমার টা নিয়ে জমা দিয়ে দে।
আর তুই?
আমি জোগার করতে পারব।
তুই দিয়ে আয় আমি আসছি
নুসরাত চলে যায়, অঞ্জন কিছু না বলে চলে যায় বাসায় ওর আর জমা দেয়া হয় না।
অঞ্জন আর নুসরাত একসাথে পড়ে ৩ বছর ধরে,ওরা অনেক ভাল বন্ধু
শুধুই কি বন্ধু ? প্রশ্ন থেকে যায়?
অঞ্জন নুসরাত কে অনেক ভালবাসে, কিন্তু ভালবাসা তো আর একতরফ থেকে হয়না।
অনেক বার বলেছে সে কিন্তু নুসরাত মানতে পারে না
নুসরাত অঞ্জন কে শুধু ভাল বন্ধু ভাবে অন্ন কিছুই নয়।
কিন্তু সে কি জানে ভালবাসা একবার জন্মালে যে আর নিভে না
মাঝে একবার সে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে ছিল। কিন্তু আবার শুরু করেছে।
নুসরাত না হয় ভালই আছে কিন্তু অঞ্জন কেমন আছে?
ওটা নিয়ে নুসরাতের কোন মাথা ব্যাথা নেই।
জাই হোক ওদের দিনকাল ভালই চলছিল,
পহেলা
বইশাখ আসছে ,নুসরাত শাড়ি পরতে পছন্দ করে,অঞ্জন নুসরাত কে বলেছে সাথে লাল
টিপ পরতে,লাল টিপে নাকি নুসরাত কে অন্নেক সুন্দর লাগবে।
কথা মত নুসরাত লাল টিপ, লাল চুরি পরে
সাদা শাড়ি লাল পাড়ে অপুরব লাগছিল তাকে…।………………
নুসরাতের
সবচেয়ে প্রিয় লাল রঙের শাড়িতি পড়ে আর কপালে একটি লাল টিপ। মাথা নীচু করে
অন্যদিকে তাকিয়ে আছে সে অঞ্জনের দিকে তাকাতে পারছে না। অঞ্জন চুপ করে নতুন
কৌশল ভাবছে। হঠাৎ পাশ থেকে শুনতে পেল " কপালে টিপ দিয়েছ ?" প্রতিউত্তর
দেবার অপূর্ব সুযোগে খুব মুড নিয়ে নুসরাত বলে "কেন? তাতে তোর কী সমস্যা ?"
তোকে আজ খুব সুন্দর লাগছে বলতে বলতে অঞ্জনের চোখে জল এসে পরল। দেখে বঝা গেল
অনেক খুশির জল।
সে দিন ও অঞ্জন ভেবেছিল তার নুসরাত তারই থাকবে, সে ভাবত কোন না কোন দিন নুসরাত তাকে ভালবাসবে।
এভাবেই কাটে ১ টি বছর ।
নুসরাতের বিয়ে ঠিক করে তার বাবা মা,নুসরাত কিছুই বলে না ।তবুও যেন আশা ছাড়ে না অঞ্জন।
কারন সে বিশ্বাস করত যে সত্যি কারের ভালবাসা মিথ্যা হয় না।
অঞ্জন একটি চিঠিতে লিখে যায়,
আমার অপেক্ষা থাকে সারা দিন তোমাকে দেখার!
তোমার পড়নে লাল-সাদা শাড়ি হাতের লাল চুরি.....কপালে ছোট্ট লাল টিপ,সবই ভালো লাগে আমার! কিভাবে যেন সব তোমাকে মানিয়ে যায়। আমি ভাবি আর দেখি....হারিয়ে যাই.....তুমি বুঝে ফেল...আমায় পরে ফেলো নিমিষেই......চোখ নাচিয়ে চোখের ভাষায় প্রশ্ন কর.........
“ কি দেখছ অমন করে??”
আমতা আমতা করে বলি “কই কিছু নাতো!”
তুমি মুচকি হাসো......হয়তো আমার মিথ্যা ধরে ফেলেছ সহজেই,
পাশাপাশি হাটার সময় আলত করে তোমার হাতটা ধরলাম...।। তুমি না করলে না...অনেক ভিড় আমি তোমার হাত আরেকটু শক্ত করে ধরলাম......। না! তোমাকে হারিয়ে যেতে দেবোনা কোথায় না.........
তুমি সারা জীবন থাকবেআমার ভালোবাসার স্বর্গ হয়ে..............
তোমার পড়নে লাল-সাদা শাড়ি হাতের লাল চুরি.....কপালে ছোট্ট লাল টিপ,সবই ভালো লাগে আমার! কিভাবে যেন সব তোমাকে মানিয়ে যায়। আমি ভাবি আর দেখি....হারিয়ে যাই.....তুমি বুঝে ফেল...আমায় পরে ফেলো নিমিষেই......চোখ নাচিয়ে চোখের ভাষায় প্রশ্ন কর.........
“ কি দেখছ অমন করে??”
আমতা আমতা করে বলি “কই কিছু নাতো!”
তুমি মুচকি হাসো......হয়তো আমার মিথ্যা ধরে ফেলেছ সহজেই,
পাশাপাশি হাটার সময় আলত করে তোমার হাতটা ধরলাম...।। তুমি না করলে না...অনেক ভিড় আমি তোমার হাত আরেকটু শক্ত করে ধরলাম......। না! তোমাকে হারিয়ে যেতে দেবোনা কোথায় না.........
তুমি সারা জীবন থাকবেআমার ভালোবাসার স্বর্গ হয়ে..............
কিন্তু কোথায় যায় অঞ্জন?
অঞ্জনের ব্রেইন ক্যান্সার ছিল, নুসরাত জানত না, হয়ত এজন্নই
আসাইনমেন্ট টি জমা দেয় নি সে ইচ্ছা করে, হয়ত এজন্নই তাদের প্রেমও হয় নি।
অঞ্জন আজ নেই,
নুসরাত কি অঞ্জন কে মনে রেখেছে?
হয়ত ম্রিত্তুর খবর পেলে অঞ্জনের প্রতি একটু ভালবাসা আসবে!
কিন্তু এরকম হাজারো অঞ্জন আছে যারা, না মরেও কষ্টের আগুনে ধুকে ধুকে মরে।
বিঃদ্রঃ যাদের ভালবাসেন না , তাদের দূরে রাখবার চেষ্টা করেন
কারন ভালবাসার মানুষ কাছে থেকেও না থাকার কষ্ট হাজার গুন বেশি।
Dedicated to RIYAL HASAN(N)